হোটেল পদ্মা মালিক দুলালের নেতৃত্বে অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্র, নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এলাকাবাসীআমারও তো জব দখলের
সাংবাদিক,খাইরুল ইসলাম:
রাজধানীর আদাবর থানাধীন আবাসিক হোটেল ‘পদ্মায় দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক ও অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, হোটেলটির মালিক দুলালের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এখানে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে, যা আশেপাশের পরিবেশ ও সামাজিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোটেল পদ্মা’ নামের এই আবাসিক প্রতিষ্ঠানটি কাগজে-কলমে সাধারণ অতিথি সেবার কথা বললেও বাস্তবে এটি অসামাজিক কার্যকলাপের একটি গোপন আস্তানায় পরিণত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এখানে নিয়মিতভাবে মাদক সেবন, অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন এবং সন্দেহজনক লেনদেন সংঘটিত হচ্ছে।দিনের বেলা অপেক্ষাকৃত শান্ত থাকলেও রাত গভীর হলেই,হোটেলটিতে অপরিচিত নারী-পুরুষের আনাগোনা বৃদ্ধি পায়। এতে স্থানীয় পরিবারগুলো বিশেষ করে নারী ও কিশোর-কিশোরীদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।এলাকাবাসীরা জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরেই বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন,আমরা বারবার অভিযোগ করেছি, কিন্তু কোনো ফল পাইনি। প্রতিদিনই নতুন নতুন লোকের আনাগোনা বাড়ছে, এতে আমাদের পরিবারের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে।আরেকজন স্থানীয় বলেন,এই হোটেলের কারণে আমাদের এলাকায় একটি অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। শিশুদের নিয়েও আমরা চিন্তিত।প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন,এতসব অভিযোগের পরও আদাবর থানা পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান তৎপরতা না থাকায় জনমনে ক্ষোভ ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরবতা প্রশ্ন উঠেছে, অপরাধীদের আরও উৎসাহিত করছে।বিশেষ করে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত টহল ও নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এমন কার্যকলাপ দীর্ঘদিন ধরে চলতে পারে তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে! আবাসিক হোটেলের আড়ালে এ ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ শুধু আইন লঙ্ঘনই নয়, বরং এটি একটি বৃহৎ অপরাধ চক্রের অংশ হতে পারে। দ্রুত তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এটি আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করতে পারে।তারা আরও বলেন,এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা জরুরি।এলাকাবাসীর জোর দাবি, হোটেল ‘পদ্মা’র বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক। পাশাপাশি, আবাসিক হোটেলগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।তাদের মতে, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এ ধরনের কর্মকাণ্ড সমাজে আরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হবে।
Reporter Name 















