ঢাকা ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০৪ Time View

রাশিয়া ও বেলারুশের ভিসার নামে প্রতারণার অভিযোগ, দশ, থেকে ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের দাবি
জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ ক্রাইম সংবাদ সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ফরহাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাশিয়া ও বেলারুশে চাকরি ও ভিসা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ১। ইলিয়াচ। পিতা শাহান আলী।মাতা ইয়াচমিনা বেগম। থানা। গাংনী। উপজেলা জোরপুকুরিয়া।৭১১০।NID নাম্বার 19885714773000041 পাসপোট নাম্বার A13603001 # 2 নাম্বার পলাশ। পিতা মজিবুল ইসলাম। ওরফে সোনা।মাতা। বেদেনা খাতুন। থানা। হাতিয়ান। জেলা কুসটিয়া। উপজেলা। মিরপুর।
NID নাম্বার 6889001324/পাসপোট A09564074

৩ নাম্বার কানিজ ফাতেমা সুভা।পিতা কাফিল মাতা ফিরুজা পারভিন।লাকি।থানা সাভার। ৫৪ জামশিং।NID নাম্বার 9583010484 l পাসপোট নাম্বার।A09255046 lএইচ এম ওভারসিজ (H M Overseas)-এর জেনারেল ম্যানেজার ৪। নাম্বার মোঃ মঞ্জুরুল আলম এদের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোঃ মঞ্জুরুল আলম (এনআইডি নম্বর: ৩২৫৫২৪৮০৩৫), পিতা: মোঃ লিয়াকত আলী, মাতা: মোসাঃ লাইলী বেগম, গ্রাম: রথপাড়া, ডাকঘর: ভেড়ামারা (৭০৪০), জেলা: কুষ্টিয়া— দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে কর্মসংস্থানের আশ্বাস দিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার সাধারণ মানুষ, দিনমজুর, কৃষক ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ গ্রহণ করেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, রাশিয়া ও বেলারুশে বৈধভাবে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ধাপে ধাপে প্রায় ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা তারা হাতিয়ে নেয় এবং সংগ্রহ করেন। কিন্তু এসব জাল ভিসা। নির্ধারিত সময়ে কাউকে বিদেশে পাঠাতে পারেননি। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন করেননি।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, গত প্রায় ১১ মাস ধরে ইলিয়াচ। পলাশ।সুভা এংব মোঃ মঞ্জুরুল আলম আত্মগোপনে রয়েছেন এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরগুলো অধিকাংশ সময় বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। অনেকেই বিদেশ যাওয়ার আশায় জমিজমা বিক্রি, ঋণ গ্রহণ কিংবা স্বজনদের কাছ থেকে ধার করে টাকা প্রদান করেছিলেন।

একাধিক ভুক্তভোগী জানান, “আমরা বিদেশে গিয়ে পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিলাম। কিন্তু এখন আমরা ঋণের বোঝা নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি। আমাদের কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”

তারা আরও জানান, এ ঘটনায় ব্যাংক লেনদেনের কাগজপত্র, অর্থ প্রদানের রসিদ, চুক্তিপত্র, মেসেজ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণ করা হয়েছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের করাও হইয়েছে

ভুক্তভোগীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তবে অভিযোগের বিষয়ে ইলিয়াচ। সুভা। পলশ মোঃ মঞ্জুরুল আলমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।এখন তারা সবাই পলাতক

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হামলা বন্ধের আহ্বান বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের

Update Time : ০২:০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

রাশিয়া ও বেলারুশের ভিসার নামে প্রতারণার অভিযোগ, দশ, থেকে ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের দাবি
জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ ক্রাইম সংবাদ সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ফরহাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাশিয়া ও বেলারুশে চাকরি ও ভিসা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ১। ইলিয়াচ। পিতা শাহান আলী।মাতা ইয়াচমিনা বেগম। থানা। গাংনী। উপজেলা জোরপুকুরিয়া।৭১১০।NID নাম্বার 19885714773000041 পাসপোট নাম্বার A13603001 # 2 নাম্বার পলাশ। পিতা মজিবুল ইসলাম। ওরফে সোনা।মাতা। বেদেনা খাতুন। থানা। হাতিয়ান। জেলা কুসটিয়া। উপজেলা। মিরপুর।
NID নাম্বার 6889001324/পাসপোট A09564074

৩ নাম্বার কানিজ ফাতেমা সুভা।পিতা কাফিল মাতা ফিরুজা পারভিন।লাকি।থানা সাভার। ৫৪ জামশিং।NID নাম্বার 9583010484 l পাসপোট নাম্বার।A09255046 lএইচ এম ওভারসিজ (H M Overseas)-এর জেনারেল ম্যানেজার ৪। নাম্বার মোঃ মঞ্জুরুল আলম এদের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোঃ মঞ্জুরুল আলম (এনআইডি নম্বর: ৩২৫৫২৪৮০৩৫), পিতা: মোঃ লিয়াকত আলী, মাতা: মোসাঃ লাইলী বেগম, গ্রাম: রথপাড়া, ডাকঘর: ভেড়ামারা (৭০৪০), জেলা: কুষ্টিয়া— দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে কর্মসংস্থানের আশ্বাস দিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার সাধারণ মানুষ, দিনমজুর, কৃষক ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ গ্রহণ করেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, রাশিয়া ও বেলারুশে বৈধভাবে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ধাপে ধাপে প্রায় ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা তারা হাতিয়ে নেয় এবং সংগ্রহ করেন। কিন্তু এসব জাল ভিসা। নির্ধারিত সময়ে কাউকে বিদেশে পাঠাতে পারেননি। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন করেননি।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, গত প্রায় ১১ মাস ধরে ইলিয়াচ। পলাশ।সুভা এংব মোঃ মঞ্জুরুল আলম আত্মগোপনে রয়েছেন এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরগুলো অধিকাংশ সময় বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। অনেকেই বিদেশ যাওয়ার আশায় জমিজমা বিক্রি, ঋণ গ্রহণ কিংবা স্বজনদের কাছ থেকে ধার করে টাকা প্রদান করেছিলেন।

একাধিক ভুক্তভোগী জানান, “আমরা বিদেশে গিয়ে পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিলাম। কিন্তু এখন আমরা ঋণের বোঝা নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি। আমাদের কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”

তারা আরও জানান, এ ঘটনায় ব্যাংক লেনদেনের কাগজপত্র, অর্থ প্রদানের রসিদ, চুক্তিপত্র, মেসেজ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণ করা হয়েছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের করাও হইয়েছে

ভুক্তভোগীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তবে অভিযোগের বিষয়ে ইলিয়াচ। সুভা। পলশ মোঃ মঞ্জুরুল আলমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।এখন তারা সবাই পলাতক